বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম ও ফি ২০২৬২০২৬ সালে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম ও ফি ২০২৬ জানলে ঘরে বসেই পুরো প্রক্রিয়াটা নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন—চাই সেটা ঢাকায় থেকে আবেদন হোক, বা কাতার–দোহা থেকে সত্যকন্ঠ (shottokontho.com) পড়ে নেওয়া প্রবাসী কোনো পাঠকের জন্য। অনলাইনে ফর্ম পূরণ, শিশুদের ই-পাসপোর্ট, এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্টে রূপান্তর, কাতার-ভিত্তিক আবেদন—সব মিলিয়ে ছোট ছোট ভুলেও আবেদন আটকে যেতে পারে, আর এই আর্টিকেলের লক্ষ্য সেই ভুলগুলো শুরুতেই এড়িয়ে যেতে সাহায্য করা।
ই-পাসপোর্ট কী, কেন এখনই জানা জরুরি
ই-পাসপোর্ট হচ্ছে বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, যেখানে একটি ইলেকট্রনিক চিপে আপনার ছবি, আঙুলের ছাপসহ ব্যক্তিগত তথ্য এনক্রিপ্ট করা থাকে; এতে নিরাপত্তা বাড়ে, জালিয়াতি কমে এবং ইমিগ্রেশনে ক্লিয়ারেন্স দ্রুত হয়। বাংলাদেশ সরকার ধীরে ধীরে পুরনো মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) থেকে ই-পাসপোর্টে পুরো সিস্টেমকে শিফট করছে, ফলে নতুন বা নবায়ন—দুটো ক্ষেত্রেই ই-পাসপোর্ট নেওয়াই কার্যত মূলধারা।
সরকারি ই-পাসপোর্ট অনলাইন রেজিস্ট্রেশন পোর্টালে (epassport.gov.bd) এখন পাঁচ ধাপে আবেদন, ফি, বায়োমেট্রিক ও স্ট্যাটাস চেকের সব তথ্য এক জায়গায় রাখা হয়েছে। ফলে যারা আগে “কী লাগে, কত ফি, কোথা থেকে শুরু করব” এই চিন্তায় দ্বিধায় ছিলেন, তারা এখন অনলাইনে কয়েকটি স্টেপ ফলো করেই প্রক্রিয়াটা ধরতে পারেন।
অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন: শুরুটা কোথা থেকে করবেন
প্রথম ধাপ হলো ই-পাসপোর্ট আপনার এলাকায় বা সংশ্লিষ্ট বিদেশি মিশনে চালু আছে কি না, তা অনলাইনে চেক করা—এটা epassport.gov.bd ওয়েবসাইটের “Check Availability” বা সমপর্যায়ের অপশনে পাওয়া যায়। এরপর ই-মেইল দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট খুলে লগইন করলে নিউ অ্যাপ্লিকেশন অংশে গিয়ে নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা, পেশা, পিতামাতার তথ্যসহ ব্যক্তিগত সব তথ্য ধাপে ধাপে পূরণ করতে হয়।
এই পর্যায়ে আপনাকে বেছে নিতে হবে—৫ বছর নাকি ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট, ৪৮ পৃষ্ঠা নাকি ৬৪ পৃষ্ঠা; কারণ ভবিষ্যতের ভ্রমণ পরিকল্পনা (যেমন ঘনঘন ভিসা লাগানো) এবং ফি—দুটোর ওপরই এর প্রভাব পড়ে। সব তথ্য প্রিভিউতে ভালো করে মিলিয়ে দেখে সাবমিট করলে একটি বারকোডসহ আবেদনপত্র জেনারেট হয়, যা বায়োমেট্রিকের দিনে সঙ্গে নেওয়া বাধ্যতামূলক।
ই পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
প্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে সাধারণ নথিগুলো হলো:
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা ১৭-সংখ্যার জন্মনিবন্ধন
- আগের পাসপোর্ট (যদি থাকে)
- বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা-সংক্রান্ত তথ্য
- বৈধ মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা।
প্রবাসীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্তভাবে,
- রেসিডেন্স পারমিট
- ভিসা বা বিদেশি আইডি কপিও অনেক মিশন আবশ্যিক করেছে, যেমন দুবাই বা সিডনি–ভিত্তিক কনস্যুলেটগুলোতে দেখা যায়।

অনলাইন ফর্মের নির্দিষ্ট অংশে এসব ডকুমেন্টের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হয় এবং বায়োমেট্রিক দিনে মূল কপিগুলো সঙ্গে নিয়ে হাজির হতে হয়। তথ্যের সামান্য অমিল—যেমন NID–তে নামের বানান আর আগের পাসপোর্টের বানান ভিন্ন—হলে আবেদন স্থগিত হতে পারে, তাই আগে থেকেই ডাটা মিলিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
বাচ্চাদের ই পাসপোর্ট করার নিয়ম
অনেকেই ভাবেন শিশুদের ই-পাসপোর্ট আলাদা কোনো কনসেপ্ট, কিন্তু মূল কাঠামো একই—শুধু বয়সভেদে কিছু বিশেষ নিয়ম আছে যা না জানলে অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিনই সমস্যায় পড়ার ঝুঁকি থাকে। উদাহরণ হিসেবে কিছু মিশনে ৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে সরাসরি বায়োমেট্রিক না নিয়ে শুধু ছবি, জন্মনিবন্ধন ও বাবা-মায়ের ডকুমেন্টের ভিত্তিতে ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়।
সাধারণভাবে শিশুদের ই-পাসপোর্টের জন্য যেসব কাগজপত্র লাগে তার মধ্যে থাকে:
- শিশুর ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন বা বিদেশি জন্ম সনদ,
- বাবা-মায়ের বাংলাদেশি পাসপোর্ট বা NID,
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিবাহ সনদ বা গার্ডিয়ানশিপের প্রমাণ।
সংশ্লিষ্ট মিশন বা পাসপোর্ট অফিসের ওয়েবসাইটে শিশুদের জন্য আলাদা ডকুমেন্ট লিস্ট থাকলে সেটাই ফলো করা উচিত, কারণ দেশভেদে বাড়তি কাগজপত্র চাইতে পারে।
ই পাসপোর্ট করার ফি
বাংলাদেশের ভেতরে ই-পাসপোর্ট ফি নির্ভর করে তিনটি বিষয়ের ওপর: মেয়াদ (৫/১০ বছর), পৃষ্ঠাসংখ্যা (৪৮/৬৪) এবং ডেলিভারি টাইপ (রেগুলার, জরুরি, সুপার এক্সপ্রেস)। সরকারি নির্দেশনায় উল্লেখ আছে, এসব ফি–র মধ্যে ১৫% ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং সময়-সাপেক্ষে গ্যাজেট বা অনলাইন আপডেটে হার পরিবর্তিতও হতে পারে।
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| ১০ বছর, ৪৮ পৃষ্ঠা | রেগুলার প্যাকেজ সাধারণত প্রায় ৫,৭৫০ টাকার আশপাশে; জরুরি ও সুপার এক্সপ্রেসে সেই হার কিছুটা বেশি ধরা হয়। |
| ১০ বছর, ৬৪ পৃষ্ঠা | ঘনঘন ভ্রমণকারীদের জন্য ৬৪ পৃষ্ঠা বুকলেট জনপ্রিয়, যার রেগুলার ফি প্রায় ৮,০৫০ টাকার মতো এবং জরুরি ক্যাটাগরিতে আরো বেশি। |
| সোর্স | সরকারি ই-পাসপোর্ট ফি নির্দেশনা ও হালনাগাদ অনলাইন ডকুমেন্টেশন। |
এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্ট: পুরোনো পাসপোর্ট কীভাবে কাজে লাগবে

যাদের হাতে ইতিমধ্যে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) আছে, তাদের অন্যতম বড় প্রশ্ন—এই পুরোনো পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কি ই-পাসপোর্ট করা যাবে, আর হলে কীভাবে। কিছু বিদেশি মিশন পরিষ্কারভাবে বলছে, এমআরপি–র মেয়াদ এক বছরের কম থাকলে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন নেওয়া হবে; তার বেশি থাকলে সাধারণত অপেক্ষা করতে হয়।
এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্টে কনভার্সন করতে হলে সাধারণত আগের পাসপোর্টের মৌলিক তথ্য, ভিসা পেইজ, এবং কখনো কখনো অতিরিক্ত ভেরিফিকেশন ডকুমেন্ট দিতে হয় যাতে নাম, জন্মতারিখ, পিতামাতার তথ্যের কোনো দ্বন্দ্ব না থাকে। অনলাইন ফর্মে “New” নাকি “Re-issue/Conversion” অপশন বাছাই করার অংশেই এই বিষয়টি পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা থাকে, তাই ভুল অপশন নির্বাচন না করাই ভালো।
কাতার থেকে ই-পাসপোর্ট: প্রবাসীদের জন্য আলাদা ধাপ
কাতার থেকে ই-পাসপোর্ট করতে চাইলে প্রথমেই জানতে হবে—দোহাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস বর্তমানে ই-পাসপোর্ট ইস্যু করছে কি না, এবং করলে কীভাবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে; এই তথ্য দূতাবাসের ওয়েবসাইটে কনস্যুলার সার্ভিস বা পাসপোর্ট বিভাগে আপডেট দেওয়া থাকে। সাধারণভাবে অনলাইন ফর্ম বাংলাদেশি পোর্টাল থেকেই পূরণ করা হয়, তবে ডকুমেন্ট জমা, ফি পরিশোধ ও পাসপোর্ট সরবরাহ হয় দোহা মিশনের মাধ্যমে।
কাতারে বসবাস প্রমাণের জন্য Residence Permit, স্থানীয় আইডি, কর্মচুক্তি বা হাউজ রেন্ট কনট্রাক্টের কপি অতিরিক্ত ডকুমেন্ট হিসেবে চাইতে পারে, যা স্থানীয় কনস্যুলেটের নির্দেশনায় স্পষ্ট করা থাকে। ফি–ও সাধারণত স্থানীয় মুদ্রায় (কাতারি রিয়াল) বা নির্ধারিত ব্যাংক/মানি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়, তাই আবেদন করার আগে সর্বশেষ ফি ও পেমেন্ট পদ্ধতি দেখে নেওয়া জরুরি।
ই-পাসপোর্ট ফি পরিশোধ, বায়োমেট্রিক ও স্ট্যাটাস ট্র্যাকিং
বাংলাদেশের ভেতরে ই-পাসপোর্ট ফি অনলাইন পেমেন্ট, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা নির্দিষ্ট ব্যাংক শাখার মাধ্যমে জমা দেওয়া যায় এবং প্রতিটি পেমেন্টের পর একটি ট্রানজ্যাকশন আইডি/রিসিপ্ট নম্বর পাওয়া যায়। এই নম্বর অনলাইন আবেদনের সঙ্গে লিঙ্ক থেকে যায় এবং বায়োমেট্রিকের দিনে রিসিপ্টের প্রিন্ট কপি বা অরিজিনাল স্লিপ দেখানো বাধ্যতামূলক।
বায়োমেট্রিকের জন্য নির্ধারিত দিনে পাসপোর্ট অফিস বা দূতাবাসে গিয়ে ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ এবং প্রয়োজন হলে আইরিস স্ক্যান দিতে হয়; তবে অনেক মিশনে ৫–৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এই বায়োমেট্রিক বাধ্যতামূলক নয়, শুধু ছবি ও ডকুমেন্টই যথেষ্ট ধরা হয়। সব ধাপ শেষ হলে অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক অপশনে গিয়ে ট্র্যাকিং নম্বর দিয়ে দেখে নেওয়া যায় পাসপোর্ট প্রসেসিং, প্রিন্টিং নাকি রেডি ফর ডেলিভারি অবস্থায় আছে।
প্রায় জিজ্ঞেস করা প্রশ্ন (FAQ)
১. বাচ্চাদের ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম কী?
শিশুর জন্য ই-পাসপোর্ট করতে হলে অনলাইন ফর্মে “Minor” বা শিশু অ্যাপ্লিকেশন নির্বাচন করে মূলত বাবা-মায়ের তথ্যের রেফারেন্সে আবেদন করা হয় এবং বয়সভেদে বায়োমেট্রিকের বাধ্যবাধকতা নির্ধারিত থাকে। শিশুর ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন/বিদেশি জন্মসনদ, বাবা-মায়ের পাসপোর্ট/NID এবং সাম্প্রতিক ছবি—এসব নথি ছাড়া আবেদন সাধারণত গ্রহণ করা হয় না।
২. ই-পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কী কী?
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য NID বা জন্মনিবন্ধন, আগের পাসপোর্ট (যদি থাকে), ঠিকানা সংক্রান্ত তথ্য ও ছবি—এগুলো মূল ডকুমেন্ট; প্রবাসীদের ক্ষেত্রে রেসিডেন্স পারমিট বা বিদেশি আইডিও যুক্ত হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে অতিরিক্তভাবে বাবা-মায়ের ডকুমেন্ট ও জন্মসনদের গুরুত্ব বেশি এবং অনেক মিশনে নির্দিষ্ট সাইজের নতুন ছবি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
৩. ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট করতে কী লাগে?
সাধারণ নিয়মে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকেরা ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারেন, যেখানে ফর্মে মেয়াদ ও পৃষ্ঠাসংখ্যা বেছে নেওয়ার অংশে তা উল্লেখ করতে হয়। এর বাইরে মূল ডকুমেন্ট প্রাপ্তবয়স্কদের স্ট্যান্ডার্ড লিস্টই থাকে, তবে ফি ৫ বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি ধরা হয়।
৪. এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম কী?
এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্ট করতে চাইলে আবেদন ফর্মে “Re-issue/Conversion” অপশন নির্বাচন করে আগের পাসপোর্ট জমা দিতে হয় এবং ভিসা পেইজসহ কপি সাধারণত চাওয়া হয়। কিছু মিশনে শর্ত রয়েছে—এমআরপি–র মেয়াদ এক বছরের কম না হলে কনভার্সনের আবেদন নেওয়া হয় না, তাই আগে সময় হিসাব করে পরিকল্পনা করা উচিত।
৫. কাতার থেকে ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম কী?
কাতার থেকে ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রে অনলাইন ফর্ম বাংলাদেশি পোর্টালেই পূরণ করা হয়, তবে ডকুমেন্ট জমা, বায়োমেট্রিক ও পাসপোর্ট সংগ্রহ হয় দোহাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে। এখানে কাতারি রেসিডেন্স পারমিট, স্থানীয় আইডি, শিশুর জন্মসনদ ইত্যাদি অতিরিক্ত কাগজপত্র হিসেবে চাইতে পারে, তাই আবেদন করার আগে দূতাবাসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে হালনাগাদ লিস্ট দেখে নেওয়া জরুরি।
গুরুত্বপূর্ণ লিংক ও নির্ভরযোগ্য সূত্র
-
- সরকারি ই-পাসপোর্ট অনলাইন পোর্টাল – আবেদন, স্ট্যাটাস চেক ও অফিসিয়াল নির্দেশনা।
-
- ই-পাসপোর্ট ফি তালিকা ও পেমেন্ট গাইড – সর্বশেষ সরকারি ফি কাঠামো।
-
- বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত ই-পাসপোর্ট তথ্য পেজ – নীতিমালা ও টেকনিক্যাল ইনফো।
-
- বাংলাদেশ দূতাবাস, দোহা, কাতার – প্রবাসী আবেদনকারীদের জন্য কাতার–সংক্রান্ত আপডেট।
-
- বিবিসি বাংলা – নীতিমালা ও পলিসি পরিবর্তন সংক্রান্ত সংবাদ অনুসরণে সহায়ক।
সূত্র: সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টাল, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিদেশি মিশনগুলোর অফিসিয়াল নির্দেশনা এবং শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের ই-পাসপোর্ট বিষয়ে স্বীকৃত সংবাদ ও তথ্যভিত্তিক রিসোর্স।
